শাসকশ্রেণি সবসময় একটি হাতিয়ার হাতে রাখে। আর সেটা ব্যবহার করে কখনো ধর্মের নামে, কখনো জাতির নামে, কখনো উন্নয়নের নামে।
কিন্তু লক্ষ্য একটাই, শোষিতকে তার “আমি শোষিত হচ্ছি” এই চেতনা থেকে দূরে রাখা। কিন্তু যে নেতারা রং বদলান, তারা বিশ্বাসঘাতক নন। তারা ব্যবস্থারই সন্তান। পুঁজিবাদী রাজনীতি তাদের ঠিক এভাবেই গড়ে তোলে।
আসল বিপদ সেই রাজনীতিতে নয়, যা প্রকাশ্যে শোষণ করে। আসল বিপদ সেই রাজনীতিতে, যা শোষণকে আদর্শের মুখোশ পরায়।
সুতরাং মুক্তি কোনো ব্যক্তির হাতে নেই। মুক্তি আসবে সংগঠিত শোষিত শ্রেণির সংগ্রাম থেকে। যেদিন বঞ্চিতরা বুঝবে শত্রু কোনো দলের নেতা নয়, শত্রু হলো সেই কাঠামো, যা তাকে চিরকাল মজুর করে রাখতে চায়।
আর সেজন্যই ব্যক্তিপূজা নয়, শোষণমুক্তি চাই।